"আমার পরমেশ্বর স্বীকার করলেন তিনি ওই মেয়েটির সঙ্গে প্রেম করেননি তবে একটু পড়েছিলেন আর কি। সে কি আর করা যাবে...পুরুষমানুস হতিই পারে...! কিন্তু ওই মেয়েটি ভালো মেয়ে হতেই পারে না। নিশ্চয়ই কোন ছেনালিপনা করেছিলো...নইলে আমার স্বামী প্রেমে পড়তেই পারে না...আজ অব্ধি উনি কোন ভালো মেয়ের প্রেমে পড়েননি...বুঝলেন!"
😂
🤣
Tuesday, August 29, 2017
Friday, June 2, 2017
Tuesday, May 9, 2017
আদর
তুমি যে আমায় পাগলি, ক্ষেপী, হনুমন্তী
আরও কত কী নামে ডাকো;
ওগুলো সব আমাকে আদর করে।
সব আদরে শরীর থাকে না...
মন খারাপের দিনে কাউকে কিছু না বললেও
হঠাত তুই ফোন করে বলিস
‘তোকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছি...
খারাপ স্বপ্ন, ভালো লাগছে না...
চল তোকে খাওয়াই...’
তুই খাওয়াস, আমিও খাই,
আদর...
সব আদরে শরীর লাগে না...
যখন দেরী হয়ে গেছে বলে
দৌড়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাই,
তুমি আমার পেছন পেছন
আস্তে আস্তে আসো;
দেখ আমি রাস্তা পার হওয়ার সময়
তাড়াহুড়ো করি কি না...
ওটাও আদর,
সব আদর শরীরে থাকে না...
সব 'তুই' আর 'তুমি'দের ভালোবাসা
আদর হয়ে যায়...
চোখ মুছিয়ে দেয়...
গাছ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে...
মাঝে মাঝে একটা গাছ কে জড়িয়ে ধরি,
মনে হয় ও শ্বাস নিচ্ছে...
হাওয়ায় হাওয়ায় জাপটে ধরছে আমাকে...
আদর,
শুধু শরীরে লাগে না...
Thursday, September 8, 2016
মানসমামার জন্মদিনে...
ছোটবেলা থেকে মামাবাড়ি বলতে বুঝতাম দিল্লীর বাড়ি। তিন মামা-মামি ভাই বোন...সে এক জমজমাট ব্যাপার। কিন্তু কলকাতায়ও একটা মামাবাড়ি ছিল আমার। মায়ের গুরুজীর বাড়ি। ও বাড়িতে বাড়ির লোকেরাও তাঁকে গুরুজী বলেই সম্মোধন করে ফেলতেন আনেক সময়। কিন্তু মা তাঁকে মানসদা ডেকে এসেছে চিরকাল। আর আমরাও মানসমামা। পন্ডিত মানস চক্রবর্তী তিনি, অথচ আমার কাছে তখন তিনি কলকাতার একমাত্র মামা। ছোটবেলায় মায়ের কাছে গান শিখতে বসতাম ঠিকই, কিন্তু গেঁয় যোগী ভিখ্ পায় আর কতদিন। মাঝে মাঝে মা অভিমান করে বলে গুরুর থেকে যা পেলাম তোদের কিছুই দিয়ে যেতে পারলাম না। সেই শুনে আবার সাত দিন চললো রেওয়াজ। আবার যেই কে সেই। কিন্তু কোথায় যেন মানস মামা আর মায়ের একটা প্রভাব নিজের অজান্তেই নিজের মধ্যে চলে এসেছে অনুভব করি। একটি ফিল্ম ও সম্পূর্ণ আলাদা গল্পের একটি নাটকের দুটি চরিত্রের হাব-ভাব,বেশভূষায় অদ্ভুত মিল পেয়েছিলাম। পরে জানতে পারি মাধ্যম ও গল্প আলাদা হলেও লেখক একই। সেটা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মা কে বলছিলাম যে একই রাগের দুটো সম্পূর্ণ আলাদা সুরের গানে যেমন একটা যোগ থাকে তেমন বিজয় দান দেথার লেখা গল্প "দুবিধা" (যেটার অবলম্বনে আমোল পালেকর এর "পেহলী" ছবিটি হয়েছিলো) আর "চরণদাস চোর" এর দুটি চরিত্রে একটা যোগসূত্র পেয়েছিলাম। লেখক মিলে যাওয়ায় বুঝেছিলাম আমার মনে হওয়াটা অমূলক নয়। মা শুনে বললো..."আমার মেয়ের তো এরকম ব্যাখ্যাই আসা উচিত।"
আজ মানস মামার জন্মদিন। অত বড় মাপের শিল্পীর কোলেপিঠে চড়ে শইশব কাটানো যে কি পাওয়া তা তো তখন বুঝিনি! এখন বুঝি মানস মামার গান ছোটবেলা থেকে কানে যাওয়াটাও একটা বোধ তৈরী করে। আজও বেসুরো গান শুনলে শরীরটা বেশ খারাপ লাগে। মা - বাবা সম্পর্কে যেমন তিনি-আপনি করে কথা বলতে পারিনা তেমনি মানসমামার ক্ষেত্রেও নয়। এখনও সুরমন্ডল দেখে বলে উঠি এটা মানসমামা বাজায়... ওই গানটা মানসমামা গায়। বলতেই পারি না গাইতো, বাজাতো। সত্যিই তো মানসমামা এখনও গাইছে...তাঁর গলা তো প্রকৃতির থেকে আলাদা করে শোনা যেত না...আজও প্রকৃতিতেই মিশে আছে...হয়েতো আরও বিশ্বায়িত হয়েছে সেই সুর...তাঁর কন্ঠেই ভেসে আসছে কানে "যেখানেই থাকো শুধু ভালো থাকো...চলে যাও যাও...ফিরে দেখো কোনদিন..."
Wednesday, August 24, 2016
Friday, August 19, 2016
দাদুর লেখা ছড়া- আমার ৪ বছরের জন্মদিনের উপহার
মানালি রে মানালি,
সবায় হার মানালি!
বাজ-বিজলী ঠাসা,
চঞ্চলতার বাসা।
সবায় হার মানালি!
বাজ-বিজলী ঠাসা,
চঞ্চলতার বাসা।
শাসন-নাশন শক্তি,
কিছুতেই নেই ভক্তি।
মুখখানি কি মিষ্টি,
কিন্তু কাঁপে ছিষ্টি।
কি হয়, কি হয়, কি হয়!
সব সময়ই ভয়!
ভবিষ্যৎ ই ভরসা-
আঁধার হবে ফর্সা,
চন্ডী হবে শান্ত,
তান্ডবেতে খ্যান্ত,
জয় করবে মন-
সুখী সর্বজন।
- অমিয় ভূষণ চক্রবর্তী
কিছুতেই নেই ভক্তি।
মুখখানি কি মিষ্টি,
কিন্তু কাঁপে ছিষ্টি।
কি হয়, কি হয়, কি হয়!
সব সময়ই ভয়!
ভবিষ্যৎ ই ভরসা-
আঁধার হবে ফর্সা,
চন্ডী হবে শান্ত,
তান্ডবেতে খ্যান্ত,
জয় করবে মন-
সুখী সর্বজন।
- অমিয় ভূষণ চক্রবর্তী
একঘেঁয়েমির ওষুধ খুঁজছিলাম
অন্যের সঙ্গে রোজ মিশলে অনেক সময় আমাদের একঘেঁয়ে লাগে। আয়নায় রোজ এক মুখ দেখি তবু তো মন্দ লাগে না...! আসলে আমরা কি কাউকে নিজের মতো করে ভালোবাসতে পারি না! না কি সেটার থেকেও বড় কারণ হল নিজেকে প্রায় রোজ নতুন করে আবিষ্কার করি। নিজেই নিজের অজানা পারা- না পারার তথ্যগুলো জানতে পেরে জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে অবাক হই। অন্যদের যতদিন নতুন করে চেনা বাকি থাকে ততদিন একঘেঁয়ে লাগে না। যেই মনে হয় চিনে গেছি...ব্যাস্...
আসলে চিনে গেছি ভাবাটাই তো কম চেনার লক্ষণ... যেমন জেনে গেছি ভাবাটা কম জানার প্রথম পদক্ষেপ।
নিজের সম্পর্কে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন তথ্য আবিষ্কার যখন বন্ধ হয়ে যায়...তখনই আসে একঘেঁয়েমিজনিত হতাশা.... এমনই হতাশা শুধু মনে আসে না, আসে সম্পর্কেও। নিজেকে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ফেলে দেখতে পাই আরও কত কি নিজের সম্পর্কে জানা বাকী। একটু ঝুঁকি নিয়ে দেখা যাক... হতাশার থেকে বেশী আর কি হবে... অন্তত একঘেঁয়ে হতাশার থেকে বেরিয়ে একটা নতুন হতাশাও যদি পাই...মন্দ কি!! নতুন তো!!
এই যেমন আজ হঠাত আবিষ্কার করলাম আমার মুখের ডান দিকটা মিচ্কে আর বাঁ দিকটা স্নিগ্ধ... :P একই মুখ নিয়ে তো কম বছর পার করলাম না...তবু “আপনাকে এই জানা আমার ফুরাবে না...” ;)
Subscribe to:
Posts (Atom)